দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাশিয়ার কৃষ্ণসাগর উপকূলের জনপ্রিয় অবকাশকেন্দ্র গেলেনঝিকে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তিন শিশুসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
সোমবার (৩ আগস্ট) রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
রাশিয়ার দাবি, গেলেনঝিক রিসোর্ট এলাকার আরখিপো-ওসিপোভকা ছুটিকেন্দ্রের ব্যস্ত সমুদ্রসৈকতে এ হামলা চালানো হয়। তাদের অভিযোগ, এটি বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিচালিত একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হামলা।
রয়টার্স যাচাই করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভিডিওতে দেখা গেছে, একটি ড্রোন ব্যস্ত সৈকত এলাকায় আঘাত হানার পর সেখানে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।
ক্রাসনোদার অঞ্চলের গভর্নর ভেনিয়ামিন কোন্দ্রাতিয়েভ ঘটনাটিকে ‘মর্মান্তিক’ উল্লেখ করে বলেন, আহতদের মধ্যে ১৭ জনকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “আজ যা ঘটেছে, তা কিয়েভ সরকারের বেসামরিক মানুষের ওপর ইচ্ছাকৃত হামলা। এর সঙ্গে কোনো সামরিক স্থাপনার সম্পর্ক নেই।”
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে বিশেষায়িত চিকিৎসা দুর্যোগ মোকাবিলা দল মোতায়েন করা হয়েছে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসকে দেওয়া এক বক্তব্যে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের’ অভিযোগ তুলেছেন।
তবে এ ঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইউক্রেন। রাশিয়ার মতো ইউক্রেনও দাবি করে, ২০২২ সালে শুরু হওয়া যুদ্ধে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করে না।
রয়টার্স জানায়, গত মাসে রাশিয়া অভিযোগ করেছিল, ইউক্রেন জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের একটি হলিডে ক্যাম্পে হামলা চালিয়ে চার শিশুসহ ১১ জনকে হত্যা করেছে।
অন্যদিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রাশিয়াও কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে ধারাবাহিক হামলা চালিয়ে আসছে, যাতে বহু মানুষ নিহত ও বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউক্রেন রাশিয়ার অভ্যন্তরে দূরপাল্লার হামলা বাড়িয়েছে। বিশেষ করে তেল শোধনাগার ও বিভিন্ন শিল্প-প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হচ্ছে, যা ইউক্রেনের ভাষ্য অনুযায়ী, রাশিয়াকে যুদ্ধের মূল্য অনুভব করানোর কৌশলের অংশ।
সূত্র: বিবিসি
এমএস/